নারী শিক্ষার্থীদের জন্য আমার দরজা সবসময় খোলা থাকবে : জবি উপাচার্য
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৩:৪৯ পিএম, ১৯ মার্চ,মঙ্গলবার,২০২৪ | আপডেট: ০৮:৫৪ এএম, ৩ মার্চ,মঙ্গলবার,২০২৬
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম বলেছেন, আমাদের সমাজব্যবস্থার কারণেই নারী আত্মহননের পথ বেঁচে নেয়, এখন পর্যন্ত নারীরা মানুষ নয় তাদের পণ্য বলে ভাবা হচ্ছে। নারীদের মানুষ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। একজন শিক্ষার্থী যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন ভর্তি হয়ে তার পরিবার ছেড়ে আসে বিশ্ববিদ্যালয়কেই তার অনেক দায়িত্ব নিতে হবে- আমাদের শিক্ষকদের এবিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিতে হবে। আর নারী শিক্ষার্থীদের জন্য আমার দরজা সবসময় খোলা থাকবে।
মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে শিক্ষার্থী ফাইরুজ সাদাফ অবন্তিকার অকাল মৃত্যুতে আয়োজিত এক শোকসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষার্থী অবন্তিকার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম বলেন, অবন্তিকা একই সঙ্গে মেধাবী শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিকপ্রেমী ও বিভিন্ন সমাজসেবী সংগঠনের সাথে সরাসরি যুক্ত ছিল। তার অকাল মৃত্যুতে যারা অভিযুক্ত সুষ্ঠু তদন্তের মধ্য দিয়ে তা বের হয়ে আসবে। অবন্তিকার মৃত্যুতে গঠিত তদন্ত কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত আইন মোতাবেক বস্তুনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাবে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে যে কোনো প্রকারের সহযোগিতা করবে।
আইন বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সরকার আলী আককাসের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবীর চৌধুরী এবং আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এস এম মাসুম বিল্লাহ।
এ ছাড়াও বক্তব্য প্রদান করেন জবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. জাকির হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক ড. শেখ মাশরিক হাসান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে আইন বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থী ফাইরুজ সাদাফ অবন্তিকার বিভিন্ন বিষয়ে স্মৃতিচারণ করেন এবং তারা দাবি করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আর কোনো শিক্ষার্থী যেন মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতনের শিকার না হয়।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভাগের চেয়ারম্যান, রেজিস্ট্রার, দপ্তরের পরিচালক, প্রক্টর, বিভাগীয় শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা এবং কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।




